কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬ এ ০৩:২৭ PM
কন্টেন্ট: পাতা
গৌরবময় ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ বরেন্দ্রভূমির প্রাণকেন্দ্র, হযরত শাহ মখদুম রূপোশ (রহ.)-এর পুণ্যস্মৃতিবিজড়িত এবং দুরন্ত পদ্মার তীরবর্তী শিক্ষানগরী রাজশাহীতে অবস্থিত রাজশাহী সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট। মহারানী হেমন্ত কুমারী দেবী, কুমার শরৎ কুমার রায়, অক্ষয় কুমার মৈত্রেয়, ড. রমাপ্রসাদ চন্দ, মাদার বক্স ও এ.এইচ.এম. কামারুজ্জামানের মতো কৃতী ব্যক্তিত্বের স্মৃতিধন্য রাজশাহী শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষারও একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
নারী শিক্ষার্থীদের আধুনিক, সময়োপযোগী, বাস্তবমুখী ও কর্মসংস্থানবান্ধব কারিগরি শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে রাজশাহী সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মানসম্মত শিক্ষা, ব্যবহারিক দক্ষতা এবং নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন দক্ষ নারী জনশক্তি গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, শিল্পায়ন এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে কারিগরি শিক্ষার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ, পেশাদার ও কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত জনশক্তির কোনো বিকল্প নেই।
এই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তৎকালীন সরকার ১৯৯৮ সালে একনেক সভায় ‘বিভাগীয় শহরে তিনটি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন প্রকল্প’ অনুমোদন করে।
পরবর্তীতে ২০০৩ সালে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইডিবি)-এর আর্থিক সহায়তায় বিভাগীয় শহর চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহীতে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়। ২০০৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট উদ্বোধন করেন।
প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক পর্যায়ে রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের তৎকালীন অধ্যক্ষ জনাব এ. কে. এম. আমির হোসেন সরকার প্রথম ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম ধাপে ধাপে সম্প্রসারিত হয়।
২০০৫–২০০৬ শিক্ষাবর্ষে ১৫৪ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা কার্যক্রমের যাত্রা শুরু হয়। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও কর্মবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পাঠ্যক্রম অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে।
শিক্ষানগরী রাজশাহীর নওদাপাড়া বাইপাস সড়কে, আম চত্বর ও নতুন বাস টার্মিনালের মধ্যবর্তী এলাকায় রাজশাহী শহরের কেন্দ্র থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।
প্রায় ২ একর জায়গার ওপর নির্মিত এই প্রতিষ্ঠানে রয়েছে প্রশাসনিক ভবন, একাডেমিক ভবন, দুটি ওয়ার্কশপ এবং ছাত্রী নিবাসসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো। আধুনিক নির্মাণশৈলী ও দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যের কারণে প্রতিষ্ঠানটির পরিবেশ শিক্ষার্থীবান্ধব ও মনোরম।
রাজশাহী সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন পরিচালিত একটি সরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মান নির্ধারণ, নিয়ন্ত্রণ, মূল্যায়ন ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (বিটিইবি) গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে।
দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য দক্ষ, প্রশিক্ষিত ও কর্মমুখী জনশক্তি গড়ে তোলাই রাজশাহী সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে বিভিন্ন প্রযুক্তিভিত্তিক বিষয়ে ৪ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
চার বছর মেয়াদি এই কোর্সে মোট ৮টি সেমিস্টার রয়েছে। এর মধ্যে নির্ধারিত সময়ের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্ট/ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং সম্পন্ন করতে হয়।
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত বিধি ও পাঠ্যক্রম অনুসরণ করে ৮টি সেমিস্টারের শিক্ষা কার্যক্রম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং সফলভাবে সম্পন্ন করার পর শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট টেকনোলজিতে ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং সনদ প্রদান করা হয়।
প্রতিষ্ঠানটিতে অভিজ্ঞ, দক্ষ ও দায়িত্বশীল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ কর্মরত রয়েছেন। শিক্ষকমণ্ডলীর সদস্যরা নিজ নিজ বিষয়ে একাডেমিক দক্ষতার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও ক্যারিয়ার উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
শ্রেণিকক্ষের পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক, কারিগরি ও ব্যক্তিগত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সহযোগিতা করে থাকেন। শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান।
ইনস্টিটিউটের মূল ভবনের পূর্ব পাশে রয়েছে ১৪৮ আসন বিশিষ্ট চারতলা ছাত্রী নিবাস। শিক্ষার্থীদের স্থায়ী ঠিকানা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে দূরত্ব এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় বিবেচনা করে ছাত্রীদের মাঝে আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়।
প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের জন্য পৃথক আবাসিক ব্যবস্থা নেই। তবে কর্মচারীদের জন্য চার ইউনিট বিশিষ্ট একটি দুইতলা স্টাফ কোয়ার্টার রয়েছে। এছাড়া ইনস্টিটিউটের পূর্ব-দক্ষিণ কোণে অধ্যক্ষ ও হোস্টেল সুপারের জন্য পৃথক দুইতলা কোয়ার্টার রয়েছে।
ইনস্টিটিউটে পৃথক কোনো খেলার মাঠ না থাকলেও মূল ভবনগুলোর মধ্যবর্তী প্রায় ১২,০০০ বর্গফুটের খোলা জায়গা খেলাধুলার জন্য ব্যবহার করা হয়।
এখানে ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল, ব্যাডমিন্টনসহ বিভিন্ন বহিরাঙ্গন খেলাধুলার সুযোগ রয়েছে। শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে নিয়মিত খেলাধুলাকে উৎসাহিত করা হয়।
শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা ও একাডেমিক কার্যক্রমকে সমৃদ্ধ করতে প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে একটি আধুনিক লাইব্রেরি। এখানে পাঠ্যবই, রেফারেন্স বই, জার্নাল, সাময়িকী ও বিভিন্ন শিক্ষা সহায়ক উপকরণের সমৃদ্ধ সংগ্রহ রয়েছে।
শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও লাইব্রেরির সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন। লাইব্রেরিতে একসঙ্গে প্রায় ৫০ জন বসে পড়াশোনা করতে পারেন। বর্তমানে লাইব্রেরিতে প্রায় ৪,৬৫০টি বই রয়েছে। এছাড়া ২০১৯ সালে স্থাপন করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ কর্নার, যেখানে প্রায় ৫০০টি বই ও বিভিন্ন সংগ্রহ রয়েছে।
আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচিত ও দক্ষ করে তুলতে প্রতিষ্ঠানটিতে একটি আইটি সেন্টার রয়েছে। ইন্টারনেট, ই-মেইলসহ আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তির সুবিধা সম্বলিত এই সেন্টারে শিক্ষার্থীরা তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে জ্ঞান ও ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পায়।
সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানে বিটিসিএল-এর ফাইবার অপটিক ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে, যা শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে দ্রুতগতির ডিজিটাল যোগাযোগ নিশ্চিত করতে সহায়তা করছে।
শিক্ষার্থীদের পাঠদানকে আরও আকর্ষণীয়, সহজবোধ্য ও কার্যকর করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটিতে আধুনিক সরঞ্জামসমৃদ্ধ অডিও-ভিজ্যুয়াল ল্যাব রয়েছে।
মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ওভারহেড প্রজেক্টর, ভিডিও ক্যামেরা, টেপ রেকর্ডারসহ বিভিন্ন শিক্ষা সহায়ক সরঞ্জামের মাধ্যমে আধুনিক পদ্ধতিতে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
শিক্ষার্থীদের অবসর সময়কে আনন্দদায়ক ও সৃজনশীল করতে প্রতিষ্ঠানটিতে একটি মাল্টিপারপাস কমন রুম রয়েছে। এখানে শিক্ষার্থীরা সংবাদপত্র ও সাময়িকী পড়ার পাশাপাশি ক্যারাম, টেবিল টেনিস, দাবাসহ বিভিন্ন ইনডোর খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করতে পারে।
বিভিন্ন জাতীয় দিবস, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও অন্যান্য ছোট পরিসরের আয়োজনও এই কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষের শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ করে দিতে নিয়মিত শিক্ষা সফর আয়োজন করা হয়।
শিক্ষা সফরের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কারিগরি প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শনের সুযোগ পায়। এর ফলে তাদের বাস্তব জ্ঞান, সৃজনশীলতা, মেধা ও মননের বিকাশ ঘটে।
দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখা এবং অর্থনৈতিক কারণে ঝরে পড়ার হার কমানোর লক্ষ্যে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী উপবৃত্তি প্রদান করা হয়।
এ কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী করার পাশাপাশি বাল্যবিবাহ রোধ এবং নারীর ক্ষমতায়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করার পর শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিভিন্ন সুযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বি.এসসি. ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ রয়েছে।
এছাড়াও কারিগরি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজে ডিপ্লোমা ইন টেকনিক্যাল এডুকেশন কোর্স, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিভিন্ন ডিগ্রি কোর্স এবং দেশের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে। যোগ্যতা ও সুযোগ অনুযায়ী বিদেশেও উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে।
ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং একটি কর্মমুখী ও বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা। এই কোর্স সম্পন্ন করার পর শিক্ষার্থীরা সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে পারে।
ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল), বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন, আবহাওয়া অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, শিপিং কর্পোরেশন, বিমান, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে।
এছাড়া নিজস্ব দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও উদ্যোক্তা মানসিকতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আত্মকর্মসংস্থান ও ব্যবসার ক্ষেত্রেও নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।
রাজশাহী সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়; এটি নারী শিক্ষার্থীদের কারিগরি জ্ঞান, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
আধুনিক প্রযুক্তি, সময়োপযোগী শিক্ষা, ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ এবং নৈতিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে দক্ষ নারী জনশক্তি গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখাই আমাদের প্রত্যাশা।
দক্ষতা অর্জন, আত্মনির্ভরতা এবং উন্নত ভবিষ্যৎ—এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে রাজশাহী সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট তার গৌরবময় অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবে।